Posts

যেভাবে করবেন ফ্ল্যাট/অফিস ভাড়া দেয়া-নেয়ার চুক্তিপত্র

যেভাবে করবেন ফ্ল্যাট/অফিস ভাড়া দেয়া-নেয়ার চুক্তিপত্র ফ্ল্যাট বা বাসা ভাড়া দেয়া এবং নেয়ার ক্ষেত্রে চুক্তিপত্র থাকা আবশ্যক। এক্ষেত্রে ফ্ল্যাটের মালিক ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে যে চুক্তিপত্র হয়, সে সম্পর্কে উভয়ের স্বচ্ছ ধারণা থাকা উচিত। আর সেজন্য পাঠকদের জন্য চুক্তিপত্রের নমুনা তুলে ধরা হলো। ফ্ল্যাট/বাসা ভাড়ার চুক্তিপত্র নাসিমা, পিতা: সোলাইমান, সাং-৩০/২, হাজী ওসমান গণি রোড, থানা-বংশাল পেশা-গৃহিণী, ধর্ম-ইসলাম, জাতীয়তা-জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। ——————— প্রথম পক্ষ/বাড়ি/ফ্ল্যাটের মালিক মোঃ মারুফ উদ্দিন, পিতা-বশির উদ্দিন, সাং-সোহানগপুর, থানা-আশুগঞ্জ, জেলা-ব্রাক্ষণবাড়িয়া, পেশা-ব্যবসা, ধর্ম-ইসলাম, জাতীয়তা-জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। ———–দ্বিতীয় পক্ষ/ভাড়াটিয়া অদ্য ২৪ জুন ২০১৭ অত্র ফ্ল্যাট/বাসা ভাড়ার চুক্তিপত্রের বয়ান আরম্ভ করিলাম। যেহেতু, আমি প্রথম পক্ষ নিম্ন তফসিল বর্ণিত বাড়ির মালিক ও দখলকার নিয়ত থাকিয়া ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। আমি মালিক পক্ষ প্রকাশ্যে মাসিক ভাড়াটিয়া হিসাবে ভাড়া দেওয়ার প্রস্তাব বা ঘোষণা করিলে পর আপনি দ্বিতীয় পক্ষ উক্ত প্রস্তাবে রাজি ও সম্মত হইলে পর আমরা উভয় পক্ষ নিম্নলিখিত শর্তাধীনে অত্র ফ্ল্যাট/বা...

চেক ডিজঅনারের (চেক প্রত্যাখ্যান) মামলা

চেক ডিজঅনারের (চেক প্রত্যাখ্যান) মামলায় অপরাধীকে সর্বনিম্ন ৬ মাস থেকে সর্বোচ্চ ২ বছর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা চেকে লিখিত অর্থের চারগুণ অর্থদণ্ডের বিধান রেখে ‘নোগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট অ্যাক্ট’ সংশোধন করে ‘বিনিময়যোগ্য দলিল আইন, ২০২০’ নামে নতুন আইন করা হচ্ছে। ‘বিনিময়যোগ্য দলিল আইন, ২০২০’ এর খসড়া অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইটে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতামতের পর আইনটি চূড়ান্তভাবে প্রণয়ন করা হবে। খসড়ার সপ্তম অধ্যায়ে শাস্তির বিষয়ে বলা হয়েছে, ‘কোনো ব্যক্তি তার কোনো ব্যাংকের হিসাবে অপর কোনো ব্যক্তিকে যে পরিমাণ অর্থ পরিশোধের জন্য চেক লিখে দিয়েছেন কিন্তু তার ব্যাংক হিসাবে যে পরিমাণ টাকা আছে তা দিয়ে চেক সমন্বয় করা সম্ভব না হয়, অর্থাৎ হিসাবে সে পরিমাণ টাকা নেই; আবার উক্ত হিসাব হতে টাকা পরিশোধের জন্য ব্যাংকের সাথে যে পরিমাণ টাকার চুক্তি করা হয়েছে তা অতিক্রান্ত হওয়ায় কিংবা স্বেচ্ছায় ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে লেনদেন স্থগিত বা বন্ধ করার কারণে ব্যাংক কর্তৃক উক্ত চেকটি অপরিশোধিত হয়ে ফেরত আসলো, তাহলে ওই ব্যক্তি এর দ্বারা অপরাধ সংঘটন করেছে বলে বিবেচিত হবে।’ এ অপরাধে অ...

মটরসাইকেলে মামলা খেতে না চাইলে সড়ক পরিবহন আইন 2018 অনুযায়ী করণীয়

মটরসাইকেলে  মামলা খেতে না চাইলে সড়ক পরিবহন আইন 2018 অনুযায়ী করণীয় ..................................................... 1. তিনটা পেপারের যে কোন একটি না থাকলে  অবশ্যই মামলা খাবেন--  ক.রেজিষ্ট্রেশন পেপার  খ. ট্যাক্স টোকেন   গ. ড্রাইভিং লাইসেন্স   2. ট্যাক্স টোকেন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মেয়াদ থাকতে হবে । না হয় মামলা খাবেন। রেজিষ্টেশন পেপার এর মেয়াদ লাগে না। 3. সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক কিনছেন কিন্তু নাম ট্রান্সফার বা পরিবর্তন করেননি। মামলা খাবেন। 4. লার্নার পেপার আছে কিন্তু পরীক্ষা, ছবি তোলা এবং ফিংগার দেননি এখনো। মামলা খাবেন। 5. বাইক ড্রাইভ করার সময় হেলমেট পরেননি অথবা আপনি পরেছেন কিন্তু আপনার পিছে যে আছে সে পরেনি মামলা খাবেন। 6. ট্রাফিক/রোড সিগনাল না মানলে মামলা খাবেন। 7. উল্টা পথে আসলে মামলা খাবেন। 8. ব্রেক লাইট না জ্বললে, ইন্ডিকেটর লাইট ভাংগা বা না থাকলে, রাতে হেড লাইট না জ্বালালে মামলা খাবেন। 9. ড্রাইভ করার সময় মোবাইলে কথা বললে অথবা নেশা করে ড্রাইভ করলে মামলা খাবেন। 10. অনুমতি ব্যতিত বাইক মোডিফাই করলে, রঙ পরিবর্তন করলে, VIP হর্ন ব্যবহার, ফগ লাইট ব্যবহার, হ...

আইন পড়লে কি কি হওয়া যায় ?

কেউ এই প্রশ্ন করলে উত্তরের বদলে পাল্টা প্রশ্ন হবে- ‘আইন পড়ে কী হওয়া যাবে না? বাংলাদেশে আইনের শিক্ষার্থীদেরকে পরিবারে ও সমাজে অবধারিতভাবে যে অনিবার্য প্রশ্নটির সম্মুখীন হতে হয় তা হচ্ছে- ‘Law পড়বি কি Liar হওয়ার জন্য?’ অর্থাৎ বেশিরভাগ মানুষ ধরেই নেয়- ‘ল’ পড়ে ‘লইয়ার’ বা তাঁদের ভাষায় লাইয়ার (মিথ্যাবাদি) হওয়া ছাড়া আর বুঝি কোন গত্যন্তর নাই। কিন্তু তাঁরা আসলে জানে না আইন পড়া একজন শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার পরিধি কতোটা বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় ! আইন পাশ করে আইন সংশ্লিষ্ট বা আইন বহির্ভূত সব কিছুই আপনি হতে পারবেন। আইন পড়ে কেউ আইনজীবী হতে না চাইলেও তাঁর জন্য সরকারি- বেসরকারি চাকুরির দুনিয়া খোলা। আইন পড়ার আরেকটি মজার বিষয় হল- আপনি স্বাস্থ্য, প্রোকৌশল, আইটি সহ সকল সেক্টরে কাজ করার সুযোগ পাবেন। ছোট-বড় সব ধরনের কোম্পানীতেই লিগ্যাল সেক্টরে চাকুরী বা পরামর্শক হিসাবে আইনের ছাত্ররা ক্যারিয়ার গড়তে পারে। ১/ বিজেএস ক্যাডার (জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট) বিজেএস পরিক্ষা বিসিএস এর মতোই। ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ায় বর্তমানে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ হয় বিজেএস বা ‘বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন’ এর মাধ্যমে। বিসিএস ক্যাড...

৭টি আইন🌸 দন্ডবিধি ১৮৬০, বার কাউন্সিল ১৯৭২, তামাদি আইন ১৯০৮, ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭, সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ [Bangladesh Laws]

৭টি আইন🌸 ০১। দন্ডবিধি- ১৮৬০; প্রকাশঃ ৬ অক্টোবর ১৮৬০ কার্যকরঃ ১লা জানুয়ারী ১৮৬২  আইন নংঃ ৪৫ আইনের ধরনঃ মূল আইন লেখকঃ লর্ড ম্যাকলে অধ্যায়ঃ ২৩টি ধারাঃ ৫১১ শাস্তি সর্বোচ্চঃ ৩০৩ ধারায় মৃত্যুদন্ড সর্বনিম্ন শাস্তিঃ ৫১০ ধারায় ২৪ ঘন্টা কারাদন্ড অথবা ১০ টাকা জরিমানা ০২। সাক্ষ্য আইন- ১৮৭২; প্রকাশঃ ১৫ মার্চ ১৮৭২ কার্যকরঃ ১ সেপ্টেম্বর ১৮৭২ আইন নংঃ ১নং আইনের ধরনঃ বিধিবদ্ধ লেখকঃ জেমস স্টিফেন খন্ডঃ ৩টি খন্ড  ধারাঃ ১৬৭টি ০৩। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন- ১৮৭৭; প্রকাশঃ ৭ ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭ কার্যকরঃ ১ মে ১৮৭৭ আইন নংঃ ১নং আইনের ধরনঃ মূল আইন লেখকঃ বৃটিশ ইকুইটি হতে উৎপত্তি অধ্যায়ঃ ১০টি অধ্যায় ৩টি খন্ড ধারাঃ ৫৭টি ০৪। ফৌজদারী কার্যবিধি- ১৮৯৮; প্রকাশঃ ২২ মার্চ ১৮৯৮ কার্যকরঃ ১ জুলাই ১৮৯৮ আইন নংঃ ৫নং আইনের ধরনঃ পদ্ধতিগত লেখকঃ লর্ড ম্যাকলে অধ্যায়ঃ ৪৬টি এবং ০৫টি তফসিল ধারাঃ ৫৬৫টি ০৫। দেওয়ানী কার্যবিধি- ১৯০৮; প্রকাশঃ ২১ মার্চ  ১৯০৮ কার্যকরঃ ১ জানুয়ারী ১৯০৯ আইন নংঃ ৫ নং আইনের ধরনঃ পদ্ধতিগত লেখকঃ  অধ্যায়ঃ ১১টি অধ্যায় এবং ০৫টি তফসিল ধারাঃ ১৫৮টি ধারা ও ৫১টি আদেশ ০৬। তামাদি আইন- ১৯০৮; প্রকাশঃ ৭ আগষ্ট্ ১৯০৮...

অর্থ বছর (Income Year): ২০২১-২০২২ কর বর্ষ (Assessment Year): ২০২২-২০২৩

সঞ্চয়পত্র কেনা, জমি কেনাবেচা, ক্রেডিট কার্ড নেয়া , ব্যাংক থেকে লোন নেয়া প্রভৃতি কাজে আগে আমরা যা করতাম তা হল একটা TIN বানিয়ে নিতাম। #TIN কি, কেন নিলাম কিছুই জানা ছিল না। TIN নিলেই যে আপনাকে প্রতিবছর বাধ্যতামূলকভাবে রিটার্ন দেয়া লাগবে এইটাও আপনার জানা ছিল না। গতকাল ঘোষিত বাজেটে TIN নিয়ে রিটার্ন না দেয়ার সুযোগ অনেকাংশে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এখন থেকে শুধুমাত্র টিন সার্টিফিকেট দেখিয়েই সব কাজ করতে পারবেন না। টিন সার্টিফিকেট তো নিয়েছেন, সাথে রিটার্ন ও সাবমিট করছেন তার প্রমানপত্র দেখাতে হবে। যেমন এখন সঞ্চয়পত্র কিনতে গেলে শুধু টিন সার্টিফিকেট দেখিয়েই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন না, রিটার্ন জমা দিয়েছেন সেই প্রমানপত্র দাখিল করতে হবে। করদাতার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি করদাতা শনাক্তকরণ নম্বরধারীদের (টিআইএন) আয়কর রিটার্ন দাখিলে বাধ্য করতে এরকম ৩৮ ধরনের ক্ষেত্রে প্রমাণপত্র দেখানোর বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে বাজেটে। এসব ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ হিসেবে নিম্নলিখিত তিন ধরনের নথির যে কোনো একটি জমা দিলেই চলবে। ১. আয়কর রিটার্ন জমার বিষয়ে এনবিআরের প্রাপ্তিস্বীকার পত্র।রিটার্ন জমা দেয়ার সময় পাবেন। ২. অনলাই...